কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অফিসারের একাধিক গুরুতর অভিযোগ

কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল অফিসারের একাধিক গুরুতর অভিযোগ!

দীর্ঘদিন ধরেই কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হোমিওপ্যাথিক বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বে  রয়েছেন ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ। অবশ্য তিনি নিজের দায়িত্বকে এবং কর্মকে কিভাবে ফাঁকি দেওয়া যায় তা বেশ ভালোভাবেই জানেন ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ। সানিয়া এলাকাবাসীদের অভিযোগ এই হাসপাতালের হোমিওপ্যাথিক বহিঃ বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার নিলাঞ্জিতা চন্দ মাসের বেশিরভাগ সময় তিনি হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা না করে বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। যেদিন ওই তুমি হাসপাতালে আসেন সেদিন সরকারি নির্দেশিকাকে উপেক্ষা করে অর্থাৎ নিজের মর্জি মাফিক আসেন এবং নিজের মর্জিমাফিক চলেও যান। যেখানে সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে হাসপাতালে  বহির্বি বিভাগে সকাল ৯ টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসা পরিষেবা দেবেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ ৯টার পরিবর্তে ১০টায় আসে এবং দুপুর ১ টা বাজতেই আবার চলে যান। একজন চিকিৎসকের মূল দায়িত্ব হল হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা কিন্তু সেই জায়গায় ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রাম করাকে নিজের মূল দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এদিকে রুগীরা হাসপাতালে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পরিষেবা নিতে এসে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে কেননা হাসপাতালে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নীলাঞ্জিতার চন্দ্র আসেন না  আর যেদিনই আসেন দুপুর ১ টার পর আর উনাকে হাসপাতালে পাওয়া যায় না। এই অবস্থায় হাসপাতালে হোমিওপ্যাথিক বহির্বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ এর ভূমিকা নিয়ে এলাকা জুড়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ উনি যদি সবসময় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তাহলে এলাকার রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা কে করবে? এই অবস্থায় বুধবার তুমি হাসপাতালে উপস্থিত থাকলেও সকাল ১১ টায় এলাকার এক রুগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করতে এসে চিকিৎসক নিলাঞ্জিতা চন্দকে উনার পক্ষে দেখতে পায়নি, পরে ওনাকে দীর্ঘক্ষন ধরে হাসপাতালের মাঠে এবং হাসপাতালের আশেপাশে মোবাইল ফোনে কথোপকথন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। এদিন এটাও প্রমাণ করেছে হাসপাতালে উপস্থিত থাকলেও ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দ কতটা সময় নিজের চেম্বারে বসেন। এদিন হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসা এক রোগী হোমিওপ্যাথিক  বহির্বিভাগের চিকিৎসক নীলাঞ্জিতা চন্দ এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে গিয়ে বলেছেন  এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন চিকিৎসক কাঞ্চনমালা হাসপাতালে প্রয়োজন নেই, তাই সরকার এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য দপ্তর যেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাক্তার নীলাঞ্জিতা চন্দকে অন্যত্র স্থানান্তর করে একজন ভালো দায়িত্বশীল চিকিৎসককে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হোমিওপ্যাথিক বহির্বিভাগের চিকিৎসকের দায়িত্বে পাঠান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ