গন্ডাছড়া থানার ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ চোর ধরল আগরতলা পুলিশ, ঘুমিয়ে রইল স্থানীয় প্রশাসন!
গন্ডাছড়া, বিশেষ প্রতিনিধি: গন্ডাছড়া থানার নাকের ডগায় বসে দিনের পর দিন অপরাধ চালিয়ে গেছে এক চোর-চক্রের মাস্টারমাইন্ড, অথচ স্থানীয় পুলিশের কাছে তার কোনো খোঁজই ছিল না! মনোরঞ্জন দাসপাড়া এলাকার এক যুবককে রাজধানী আগরতলার বড়সড় চুরির মূল পাণ্ডা হিসেবে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল আগরতলা পুলিশের বিশেষ দল আর এই ঘটনাই এখন প্রশ্নবিদ্ধ করে দিল গন্ডাছড়া থানার সমগ্র কর্মপদ্ধতিকে। ধিক্কার জানাচ্ছেন এলাকাবাসী, প্রশ্ন তুলছেন এত বড় অপরাধীর হদিস রাজধানীর পুলিশ পেল, অথচ নিজের এলাকার থানা কেন পেল না? গন্ডাছড়া ও তার আশপাশের অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে, অথচ একটি ঘটনারও কিনারা করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের স্পষ্ট অভিমত গন্ডাছড়া থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া এইসব চুরির ঘটনাতেও ওই যুবকের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্পষ্ট পুলিশের এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও নিষ্ক্রিয়তার সুযোগেই অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে, নির্ভয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অপরাধের কারবার। এই ঘটনা কেবল একটি চুরির মামলা নয় এটি গন্ডাছড়া থানার গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। প্রশ্ন উঠছে একজন আন্তঃজেলা অপরাধচক্রের মূল পাণ্ডা নিজের এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ থানা প্রশাসন সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল কীভাবে? এটা কি নিছক গাফিলতি, নাকি প্রশাসনিক উদাসীনতার গভীরতর প্রতিফলন? এলাকার আগের অমীমাংসিত চুরির ঘটনাগুলোর সঙ্গেও যদি সত্যিই তার যোগসূত্র থাকে, তবে প্রশাসনের ব্যর্থতা আরও গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা এখন সোচ্চার হয়ে দাবি তুলেছেন অবিলম্বে গন্ডাছড়া এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে, অতীতের অমীমাংসিত চুরির মামলাগুলো নতুন করে খতিয়ে দেখতে হবে এবং এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা যখন প্রশ্নের মুখে, তখন প্রশাসনের নীরবতা আর মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা এবং থানার কার্যপদ্ধতির স্বচ্ছ মূল্যায়নের দাবি জানাচ্ছে গন্ডাছড়ার সচেতন জনগণ।

0 মন্তব্যসমূহ