গন্ডাছড়া থানার নাকের ডগায় দুঃসাহসিক চুরি, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

গন্ডাছড়া থানার নাকের ডগায় দুঃসাহসিক চুরি, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

 থানা থেকে মাত্র একশো মিটার দূরে গন্ডাছড়া হাসপাতাল চৌমুহনী এলাকায় একই রাতে পাশাপাশি দুটি টং দোকানে তালা ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।প্রথম ঘটনার শিকার হয়েছেন ষাট কার্ড এলাকার বাসিন্দা শিখা বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পর পরদিন সকালে তিনি দেখেন দরজার তালা ভাঙা, ভেতরের মালপত্র লন্ডভন্ড। ঠান্ডা পানীয়, দামি বিস্কুট, সিগারেটসহ নগদ অর্থ চুরি গেছে। শিখা বিশ্বাস জানান, এই ছোট দোকানের আয়ের উপরই তাঁর সংসার চলে। অসুস্থ স্বামী ও ছেলের চিকিৎসায় প্রতি মাসে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়, তার সঙ্গে রয়েছে ঋণের কিস্তির চাপ। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এর আগেও তাঁর দোকানে তিনবার চুরি হয়েছে। বারবার চুরির শিকার হয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি এই অসহায়ত্বই আজ তাঁর কণ্ঠে।একই রাতে পাশের দোকানেও একইভাবে তালা ভেঙে চুরি করা হয়। দোকানটি রাধাচরণ দাসের। সকালে এসে তিনিও দেখেন তালা ভাঙা, জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। ফ্রিজের ঠান্ডা পানীয়, একটি গ্যাস সিলিন্ডারসহ একাধিক সামগ্রী চুরি হয়েছে। রাধাচরণ দাস জানান, গত ২০ বছর ধরে ব্যবসা করলেও তাঁর দোকানেও একাধিকবার চুরি হয়েছে।প্রশ্ন হলো  থানা থেকে মাত্র একশো মিটারের মধ্যে, একই রাতে দুটি দোকানে তালা ভেঙে চুরি হয়, অথচ পুলিশের কোনো টহল টের পায়নি? দুই দশক ধরে বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে, তবু কোনো স্থায়ী সমাধান নেই এটি প্রশাসনিক ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা আর্থিক সহায়তা এবং রাতের পুলিশি টহল বৃদ্ধিরও দাবি তুলেছেন।

শুধু তদন্ত আর প্রতিশ্রুতিতে কাজ হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায় এখন প্রশাসনকেই নিতে হবে।গন্ডাছড়া থানার নাকের ডগায় দুঃসাহসিক চুরি, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা


 থানা থেকে মাত্র একশো মিটার দূরে গন্ডাছড়া হাসপাতাল চৌমুহনী এলাকায় একই রাতে পাশাপাশি দুটি টং দোকানে তালা ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।প্রথম ঘটনার শিকার হয়েছেন ষাট কার্ড এলাকার বাসিন্দা শিখা বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পর পরদিন সকালে তিনি দেখেন দরজার তালা ভাঙা, ভেতরের মালপত্র লন্ডভন্ড। ঠান্ডা পানীয়, দামি বিস্কুট, সিগারেটসহ নগদ অর্থ চুরি গেছে। শিখা বিশ্বাস জানান, এই ছোট দোকানের আয়ের উপরই তাঁর সংসার চলে। অসুস্থ স্বামী ও ছেলের চিকিৎসায় প্রতি মাসে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়, তার সঙ্গে রয়েছে ঋণের কিস্তির চাপ। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এর আগেও তাঁর দোকানে তিনবার চুরি হয়েছে। বারবার চুরির শিকার হয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি এই অসহায়ত্বই আজ তাঁর কণ্ঠে।একই রাতে পাশের দোকানেও একইভাবে তালা ভেঙে চুরি করা হয়। দোকানটি রাধাচরণ দাসের। সকালে এসে তিনিও দেখেন তালা ভাঙা, জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। ফ্রিজের ঠান্ডা পানীয়, একটি গ্যাস সিলিন্ডারসহ একাধিক সামগ্রী চুরি হয়েছে। রাধাচরণ দাস জানান, গত ২০ বছর ধরে ব্যবসা করলেও তাঁর দোকানেও একাধিকবার চুরি হয়েছে।প্রশ্ন হলো  থানা থেকে মাত্র একশো মিটারের মধ্যে, একই রাতে দুটি দোকানে তালা ভেঙে চুরি হয়, অথচ পুলিশের কোনো টহল টের পায়নি? দুই দশক ধরে বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে, তবু কোনো স্থায়ী সমাধান নেই এটি প্রশাসনিক ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা আর্থিক সহায়তা এবং রাতের পুলিশি টহল বৃদ্ধিরও দাবি তুলেছেন।

শুধু তদন্ত আর প্রতিশ্রুতিতে কাজ হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায় এখন প্রশাসনকেই নিতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ