কাঞ্চনমালা পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা টুলু রানি দাস এবং তরু
বালা দাস।
বৃদ্ধ ভাতা থেকে বঞ্চিত হতদরিদ্র দুই বোন। জানা গেছে কাঞ্চন মালা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডের ৬০ উর্ধ্ব দুই বোন তুলো রানি দাস এবং তরু বালা দাস দীর্ঘ অনেক বছর ধরে ভাতা থেকে বঞ্চিত। জানা গেছে তরু বালা দাসের আমি এবং সন্তান কেউ নেই তাই নিজের শেষ বয়সটা উনার বোন দুলুরানি দাস এবং বোনের ছেলে রঞ্জিত দাশের সাথে কাটাচ্ছে। এদিকে রঞ্জিত দাসও তার মা দুলুরানি দাস কে যেভাবে শ্রদ্ধা ভক্তি দিয়ে আগলে রেখেছেন ঠিক একই ভাবে তার মাসি তরু বালা দাসকে নিজের কাছে সযত্নে আগলে রেখেছেন। রঞ্জিত দাস একজন দিনমজুর, ঘরের তার মা এবং মাসি ছাড়াও রয়েছে স্ত্রী এবং সন্তান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী রঞ্জিত দাস মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোন রকম ভাবে পরিবারের সকলকে নিয়ে দুবেলা দুমুঠু ভাত খেয়ে বেঁচে রয়েছেন, বর্তমানে রঞ্জিত দাসের সংসার খুব অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে চলছে। শনিবার সকালে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয়ে বৃদ্ধা দুলু রানী দাস জানিয়েছেন বিগত বাম আমল থেকে তারা দুই বোন বৃদ্ধ ভাতার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন করে আসছেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাদের ভাগ্যে জুটছে না বৃদ্ধা ভাতা। তারা জানিয়েছেন সরকার যদি তাদেরকে বৃদ্ধা ভাতা প্রদান করত তাহলে হয়তো প্রতিমাসের ঔষধ খরচ চালাতে পারতো এই ভাতার টাকা দিয়ে। উনার ছেলে রঞ্জিত দাস একজন দিনমজুর, মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা টাকা রোজগার হচ্ছে তা দিয়ে গোটা সংসার চালাতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। দুলু রানী দাস এদিন সাংবাদিকদেরকে দেখে মনের রাগ অভিমান আর ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি রৌদ্রে শুকাতে দেওয়া কাপড় সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে দেখিয়ে বলেছেন "তোমরা নরেন্দ্র মোদিকে দেখাও আমরা কতটুকু গরিব, আজ আমাদের ছেঁড়া কাপড় পড়তে হচ্ছে" । এদিন বৃদ্ধা দুলু রানি দাস এবং উনার বোন তরু বালা দাস রাজ্য সরকারের কাছে বৃদ্ধা ভাতার দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্যসমূহ