বনদপ্তরের একাংশ আধিকারিকদের জোগ সাজেসে বনদস্যুরা রাতের অন্ধকারে মূল্যবান গাছ কেটে গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও কথার আদ্য শ্রাদ্ধ করছে। ঘটনার ধলাই জেলার লংতরাইভ্যালী মহকুমার ছৈলেংটা বিবিআই ইট ভাট্টা সংলগ্ন এলাকায়

 বনদপ্তরের একাংশ আধিকারিকদের জোগ সাজেসে বনদস্যুরা রাতের অন্ধকারে মূল্যবান গাছ কেটে গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও কথার আদ্য শ্রাদ্ধ করছে। ঘটনার ধলাই জেলার লংতরাইভ্যালী মহকুমার ছৈলেংটা বিবিআই ইট ভাট্টা সংলগ্ন এলাকায়।


 প্রতিদিন বনদস্যুরা  ওই এলাকায় বনদপ্তরের খাস ভূমি থেকে মূল্যবান বড় বড় গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনা একদিন দুই দিনের নয় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে বনদস্যদের এই গাছ কাটার বিষয়টি। তবে বনদস্যুরা প্রতিদিন এই মূল্যবান কাজগুলি কেটে মূল সড়ক দিয়েই যাতায়াত করছে কিন্তু  বনদপ্তর এর একাংশ আধিকারিকরা বনদস্যুদের গোপন সম্পর্কের সাথে আপোস করে নিয়েছে। বনদপ্তর এর আধিকারিকদের কাছে এলাকার তরফ থেকে খবর গেলেও বনদপ্তরের একাংশ আধিকারিকরা সেই খবর দিয়ে দিচ্ছে বনদস্যুদের কাছে এবং  গাছ কেটে সীমিত সময়ের মধ্যে বনদস্যুরাও পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বুধবার রাতে ঠিক এমনই একটি ঘটনার সাক্ষী হল ছৈলেংটা এলাকার লোকজন। ঐদিন রাতে বনদস্যুরা বিবিআই ইট ভাট্টা সংলগ্ন এলাকা থেকে মূল্যবান গাছ মেশিনের সাহায্যে কেটে নিয়ে যাচ্ছিল বনদস্যুর তখন এলাকার শুভ বুদ্ধি এবং সচেতন সম্পন্ন ব্যক্তিরা তাদের এই কার্যকলাপ আর সহ্য করতে না পেরে অবশেষে মনু বনদপ্তরের অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানায়। তবে তার কিছুক্ষণ পরেই বনদস্যুরা তড়িঘড়ি মূল্যবান গাছ গাড়িতে উঠিয়ে চম্পট দেয়। ফোন করার আধা ঘন্টার পর বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কিন্তু ততক্ষণে বনদস্যুরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তখন এলাকার মানুষের বোঝার বাকি ছিল না যে বনদস্যুরা বনদপ্তরের একাংশ আধিকারিকদের সাথে গোপন যোগাযোগ করেছে। পরে বনদপ্তরের কর্মীরা ও ঘটনাস্থলে এসে কাউকে না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরে যায়। তবে বর্তমান সরকারের আমলে একাংশ বনদপ্তরের আধিকারিকদের বনদস্যুদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার  নজির হয়তো জানা নেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। যতদিন পর্যন্ত এই ধরনের বনদপ্তরের আধিকারিকরা সরকারি পদে আসীন থাকবে ততদিন পর্যন্ত "গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান" কথাটার আদ্য শ্রাদ্ধ হতেই থাকবে  কেননা একদিকে চলবে বৃক্ষরোপণ আর অন্যদিকে রাতের অন্ধকারে বনদস্যুরা অবাধে বন ধ্বংস করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ