ভারতীয় জনতা পার্টির পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান-২০২৬ সারা দেশের সাথে ত্রিপুরা রাজ্যেও শুরু হয়েছে।
এরই অংগ হিসেবে সাত মার্চ শনিবার কৈলাসহরের শ্রীরামপুর স্কুলে একদিবসীয় জেলা প্রশিক্ষণ যোজনা বৈঠক এবং প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। মুলত ঊনকোটি জেলা এবং উত্তর ত্রিপুরা জেলা এই দুই জেলাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মন্ত্রী টিংকু রায়, মন্ত্রী সুধাংশু দাস, বিজেপি ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য, রাজ্য কমিটির দুই সাধারন সম্পাদক অমিত রক্ষিত, বিধায়ক ভগবান দাস, রাজ্য কমিটির প্রবক্তা সুব্রত চক্রবর্তী, বিজেপি ঊনকোটি জেলা কমিটির সভাপতি বিমল কর, উত্তর ত্রিপুরা জেলা কমিটির সভাপতি কাজল দাস, দলের আইটি সেলের প্রধান চন্দন দেবনাথ, রাজ্য কমিটির সম্পাদক রতন ঘোষ সহ আরও অন্যান্য নেতৃত্বরা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দুই জেলার সভাপতি বিমল কর এবং কাজল দাস উপস্থিত সকল অতিথিদের উত্তরীয় পড়িয়ে বরন করেন এবং পরবর্তী সময়ে রাজ্য কমিটির সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে ভারতমাতাকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভেই ভারত মাতার সংগীত সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয়েছে। ঊনকোটি জেলা এবং উত্তর ত্রিপুরা এই দুই জেলার জেলা সভাপতিদের পাশাপাশি জেলা কমিটির অন্যান্য পদাধিকারীরা এবং দুই জেলার অধীনস্হ সমস্ত মন্ডলের সভাপতিদের পাশাপাশি মন্ডলের পদাধিকারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন। সকাল নয়টা থেকে সাড়ে দশটা অব্দি সকলে রেজিষ্ট্রেশন করেন। সকাল এগারোটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে এবং বিকাল পাঁচটায় অনুষ্ঠান সমাপ্তি হবে বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে দলের প্রবক্তা সুব্রত চক্রবর্তী সংবাদ প্রতিনিধিদের জানান যে, ভারতীয় জনতা পার্টির পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান সারা দেশেই শুরু হয়েছে এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে ত্রিপুরা রাজ্যে গতকাল ছয় মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। সাত মার্চ কৈলাসহরে দুই জেলাকে নিয়ে শুরু হয়েছে এবং আগামীকাল আগরতলায় তিন জেলাকে নিয়ে শুরু হবে এবং আট মার্চ বাকী জেলাকে নিয়ে সম্পন্ন হবে। এরপর মন্ডল স্থরে এবং পরবর্তী সময়ে বুথ স্থরেও শুরু হবে বলে জানান সুব্রত বাবু। এররকম প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সৎ নিষ্টাবান কার্যকর্তা তৈরী হবে এবং এরাই আগামী দিনে সমাজ ও দল গঠনে মূখ্য ভূমিকা নেবে বলেও জানান। অনুষ্টানটির পরিচালনা করেন আইটি সেলের প্রধান চন্দন দেবনাথ।

0 মন্তব্যসমূহ